Hacklink panel

Hacklink Panel

Hacklink panel

Hacklink

Hacklink panel

Backlink paketleri

Hacklink Panel

deneme bonusu veren siteler

deneme bonusu

Hacklink

Hacklink Panel

Hacklink

Hacklink panel

Hacklink

betzula

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink panel

Eros Maç Tv

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink satın al

Hacklink satın al

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

deneme bonusu

Hacklink panel

deneme bonusu

deneme bonusu veren siteler

Illuminati

Hacklink

Hacklink Panel

Hacklink

Hacklink Panel

Hacklink panel

Hacklink Panel

Hacklink

Masal oku

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

meritking

Hacklink panel

Postegro

Masal Oku

Hacklink

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

sezarcasino

Hacklink panel

Hacklink Panel

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink

Hacklink

Hacklink Panel

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Buy Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink

Hacklink satın al

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink panel

Hacklink

Masal Oku

Hacklink panel

Hacklink

Hacklink

หวยออนไลน์

Hacklink

Hacklink satın al

deneme bonusu

deneme bonusu veren siteler

deneme bonusu

deneme bonusu veren siteler

Hacklink Panel

scam clickbait

cloaking

cloaks content scam

dont share credit card with doeda.one

marsbahis giriş

marsbahis giriş telegram

meritking giriş twitter

casibom

Brain Savior Review

artemisbet

casino siteleri

https://guinguinbali.com/

cam temizliği

boostaro review

NervEase

izmit escort

izmit escort

izmit escort

meritking giriş

jojobet

jojobet

jojobet

pokerklas

casibom

trimology review

jojobet

holiganbet

holiganbet giriş

jojobet

holiganbet

holiganbet güncel giriş

holiganbet giriş

Nitric Boost

Yu sleep review

Education Pathbhava
2,078 Views

Course – 1.1.1 / B.Ed. / Practical/ Format.

ii . List down different Maladjusted behaviors of Adolescence which you could identify from the classroom and outside classroom taking interviews of a few and try to understand the factors that may be responsible for their behavior.

1. Introduction:- 

মানব জীবন বিকাশে বাল্য এবং যৌবনের মধ্যবর্তী দ্রুত পরিবর্তনশীল সময়কালকে বলা হয় কৈশোর কাল। এ সময় কিশোর -কিশোরীর মধ্যে দেহ ও মনের নানা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। এছাড়া দৈহিক ও মানসিক পরিবর্তনের জন্য চাহিদা সৃষ্টি হয়। সেইসব চাহিদার অপূর্ণতার কারণে বিভিন্ন ধরনের অসামঞ্জস্যপূর্ণ আচরণ লক্ষ্য করা যায়। সমাজ স্বীকৃত নয় এমন আচরণই হলো অসামঞ্জস্যপূর্ণ আচরণ। যেমন- স্কুল পালানো,  মিথ্যা কথা বলা,  চুরি করা , ভীরুতা,  বদমেজাজি প্রকৃতির প্রভৃতি আচরণগুলিকে অসামঞ্জস্যপূর্ণ আচরণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

এ প্রসঙ্গে উইলসন ও মিলার বলেছেন, “ অপসংগতি হল একটি আচরণ বিধি যা ব্যক্তিকে সমাজের বিরুদ্ধাচরণ করতে সাহায্য করে এবং এই আচরণের মূলে থাকে ব্যক্তির চাহিদার তৃপ্তির অভাব।”

বিদ্যালয়ে কৈশোরকালের ছেলে-মেয়েদের মধ্যে দেখা দেওয়া এই সব অপসংতিমূলক আচরণগুলি দূরীকরণ না করলে সার্বিক বিকাশ সম্ভব নয়। অনেক সময় পরিবার এবং পরিবেশের প্রভাবেও এই সকল আচরণ গুলি তৈরী হয়। তাই কৈশোর কালের শিক্ষার্থীর সার্বিক বিকাশের জন্য শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যদি এই সকল অপসংগতিমূলক আচরন লক্ষ্য করা যায়। তাহলে সংশোধনের জন্য শিক্ষককে সদার্থ ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে কোন ধরনের অপসংগতিমূলক আচরণ রয়েছে এবং সেগুলিকে দূরীকরণের যথার্থ পদ্ধতি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ প্রসঙ্গে শিক্ষার্থীর সর্বাঙ্গিন বিকাশে পিতা-মাতা এবং শিক্ষকের ভূমিকা অনস্বীকার্য ।

তাই আলোচ্য প্রকল্পের মাধ্যমে কৈশোর জীবনের শিক্ষার্থীদের অপসংগতিমূলক আচরণ গুলিকে চিহ্নিতকরণ করা এবং সেই আচরণগুলির জন্য দায়ী কারণসমূহ জানা এবং সেগুলি সংশোধনের সর্বোত্তম উপায় অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

1.1 Background:-

কৈশোরকালে কিশোর- কিশোরীদের মধ্যে নানা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় করা যায়। বয়ঃসন্ধিকালের এই পরিবর্তন গুলি সম্পর্কে কিশোর- কিশোরীদের মধ্যে কোন ধারণা থাকে না। শিক্ষা অবস্থায় এবং সমাজের অন্য সদস্য কোন কিছুর সম্পর্কে বাক সচেতন না থাকার ফলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায়।

অসামঞ্জস্যপূর্ণ আচরণের কারণ ঃ-

সামাজিক কারণ ঃ – যেসব পরিবারের পিতা-মাতা সব সময় ঝগড়া করেন সেক্ষেত্রে পিতা-মাতা স্বার্থপর ও উদাসীন সম্পর্ক পরিবারের সদস্যদের মধ্যে একটা প্রাকৃতিক ভারসাম্য অভাব লক্ষ্য করা যায়।

অর্থনৈতিক কারণ ঃ- দরিদ্র পরিবারের শিশুরা অর্থনৈতিক দিক থেকে দুর্বল হওয়ার জন্য তাদের সার্বিক চাহিদা পূরণ হয় না। ফলও তো অবসাদগ্রস্থ হয়ে বিভিন্ন অসামাজিক কাজে লিপ্ত হয়।

মনস্তাত্ত্বিক কারণ ঃ- অভিভাবকের আচরণ যা কঠোর অনুশাসন, উচ্চ প্রত্যাশ, ইত্যাদি শিশু মনে প্রভাব বিস্তার করে। ফলে তাদের মানসিক চাহিদা পূরণ না হওয়ার কারণে বিভিন্ন মূলক আচরণ লক্ষ্য করা যায়

বিদ্যালয়গত কারণ ঃ-  বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম গত ত্রুটি , শৃঙ্খলার অভাব , ত্রুটিপূন পরিবেশ শিক্ষার্থীর মধ্যে অপসংগতির জন্ম দেয়।

1.2 Objectives:-

প্রকল্পটি সম্পন্ন করার  পর যে সকল উদ্দেশ্য গুলি সম্পর্কে অবগত হওয়া যাবে সেগুলি হল –

  • কৈশোর জীবনের শিক্ষার্থীদের অপসংগতিমূলক আচরণ গুলিকে চিহ্নিতকরণ করা যাবে।
  •  কৈশোরকালের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কিরূপ  অপ্সঙ্গতিমূলক আচরণ পরিবর্তন ঘটেছে তা পর্যবেক্ষণ করা যাবে।
  • শিক্ষার্থীর মধ্যে অপসংগতিমূলক আচরণের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।
  • অপসংগতিমূলক আচরণ গুলি চিহ্নিত করে সেগুলির সমস্যার -সমাধানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর সার্বিক ব্যক্তিত্ব বিকাশ ঘটানো ।
  • এছাড়া শিক্ষার্থীদের আচরণগুলি ঘটনা পরিপ্রেক্ষিতে সচেতন মূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা।
  •  শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশ ঘটানো ক্ষেত্রে পন্থা গুলি অবলম্বন করা যাবে।

1.3 Identification area of the study:-

আলোচ্য প্রকল্পটি শ্রেণিকক্ষ এবং শ্রেণিকক্ষে বাইরের পরিবেশ থেকে কিশোর -কিশোরীদের অপসংগতিমূলক আচরণ  নির্বাচন করা এবং তাদের সমস্যা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা। এক্ষেত্রে সম্পূর্ণ কাজটি শ্রেণীকক্ষের বাইরের পরিবেশ থেকে  কিশোর- কিশোরীদের অসামঞ্জস্যপূর্ণ আচরণ গুলি লক্ষ্য করা  হবে।

1.4 Delimitation of the study:-

আলোচ্য ব্যবহারিক কার্যক্রমটি সম্পাদন করতে গিয়ে নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলাম, যা হলো-

  • স্কুলের প্রধান শিক্ষক মহাশয়ের অনুমতি দিতে অসম্মত ছিলেন ।
  • শিক্ষার্থীরা সহজেই উত্তর দিতে চাইনি ।
  • শিক্ষক -শিক্ষিকারাও উত্তর দিতে অনিহা ছিলেন ।

এক্ষেত্রে ব্যবহারিক কার্যক্রমটি শ্রেণীকক্ষের বাইরের পরিবেশেই পরিবেশ থেকেই তো সংগ্রহ করা হয়েছে।

2. Methodology:-

2.1 Selection of the peoples:-

আমরা ১৫-১৮ বছর বয়সের মধ্যেকার সর্বমোট চারজন শিক্ষার্থীকে নিয়ে তাদের কৈশোর জীবনের অসামঞ্জস্যপূর্ণ আচরন পর্যবেক্ষন করবো। শ্রেনীকক্ষের বাইরের পরিবেশে অর্থাৎ outside the classroom area-তে।

এক্ষেত্রে আমরা দুজন কিশোর ও দুজন কিশোরীর অপসংতিমূলক আচরণ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ  করবো। তাদের পরিচয় ‘হল

2.2 selection of the tools for gathering data:-

বিদ্যালয়ের বাইরে কৈশোরকালের অন্তর্ভুক্ত ওই চারজন  শিক্ষার্থী কীরকম অসামঞ্জস্যপূর্ণ আচরন করে এবং কেন করে তা নির্বাচন করা এবং তথ্যসংগ্রহ-এর জন্য কতকগুলি পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়। এই পদ্ধতিগুলি হল-

(ক) প্রথম পর্যবেক্ষন পদ্ধতি (Observation Method) (খ) দ্বিতীয় সাক্ষাৎকার পদ্ধতি (Interview Method)

2.3 Procedure of data collection:-

শ্রেণীকক্ষের বাইরে চারজন কিশোর-কিশোরীর অপসংগতিমূলক আচরণের সমস্যা গুলি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। সেক্ষেত্রে প্রথেমে  পর্যবেক্ষন পদ্ধতির (Observation Method) মাধ্যমে  চারজন কিশোর – কিশোরীর অপসংতিমূলক আচরণগুলি  শনাক্ত করন করতে হবে।পরবতিতে  সাক্ষাৎকার পদ্ধতির (Interview Method) মাধ্যমে অপসংতিমূলক আচরণ  সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

3. Result:-

3.1 Presentation of data :-

কৈশোরকালে ছেলেমেয়েদের মধ্যে অপসংগতিমূলক আচরনগুলি কেন দেখা যায় এবং তার প্রতিকারের উপায় কী-তা জানার জন্য আমরা ছেলেমেয়েদের বিশেষ পর্যবেক্ষন করেছি এবং তাদের কাছ থেকে নেওয়া সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করেছি। সেই তথ্যগুলি হল-

A. নির্বাচিত প্রথম কিশোর :

সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ ঃ-
১. তোমার নাম কী?

উত্তর ⇒ চন্দন বেরা।

২. তোমার বাবার নাম কী?

উত্তর ⇒ কার্ত্তিক বেরা।

৩. শ্রেনীকক্ষের সকল শিক্ষার্থীর সাথে কি তোমার বন্ধুত্ব আছে?

উত্তর ⇒ না, সকল শিক্ষার্থীর সাথে আমার বন্ধুত্ব নেই।

৪. শ্রেণীকক্ষের সকল শিক্ষার্থীর সাথে তোমার বন্ধুত্ব নেই কেন?

উত্তর ⇒ কারন সকলের সভামতের সঙ্গে আমার সভামতের মিল হয় না। তাদের যে জিনিস পছন্দ হয়, ভালো লাগে আমার সেই জিনিস ভালো লাগে না, পছন্দ হয় না। ভাই কিছু জনকে আমার পছন্দ হয় না। আবার অনেকে আমায় অপছন্দ করে তাই আমিও তাদের সাথে বন্ধুক্ত করি না।

৫. আচ্ছা কার্ত্তিকবাবু, আপনার ছেলে, চন্দনের আচার-ব্যবহার কেমন প্রকৃতির?

উত্তর ⇒ আমার ছেলে অবাধ্য, একগুঁয়ে ও খুব জেদী প্রকৃতির। খেলতে গিয়ে বন্ধুদের সাথে ঝগড়া করে, মারপিট করে।

৬. আপনারা ওকে বোঝানোর চেষ্টা করেন নি?

উত্তর ⇒ হ্যাঁ, পদ্মবার ওকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি, কিন্তু বোঝানোর সময় আমাদের সাথে তর্ক করে। বোঝালে কোনো কথা শোনে না।

 

B. নির্বাচিত দ্বিতীয় কিশোরঃ

সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ ঃ-

১. তোমার নাম কী?

উত্তর ⇒ চয়ন সামন্ত।

২. তুমি কোন শ্রেনীতে পড়ো?

উত্তর ⇒ দ্বাদশ শ্রেনী।

৩. তুমি কি কখনও বাবার পকেট থেকে না বলে টাকা নিয়েছ?

উত্তর ⇒ হ্যাঁ, মাঝে মধ্যে নিই খাবার খাওয়ার জন্য।

৪. তুমি কি প্রতিবেশীদের গাছ থেকে না বলে ফল পেড়ে খাও?

উত্তর ⇒ হ্যাঁ, প্রায়ই খাই।

 

C. নির্বাচিত প্রথম কিশোরী :

সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে তথ্যসংগ্রহ –

১. তোমার নাম কী?

উত্তর ⇒ তৃষা সামন্ত

২. তুমি কোন শ্রেনীতে পড়ো?

উত্তর ⇒ দশম শ্রেনীতে।

৩. তোমার বাবার নাম কী?

উত্তর ⇒ জগবন্ধু সামন্ত

৪. তোমার বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যেতে ভালো লাগে?

উত্তর ⇒ হ্যাঁ, ভালো লাগে।

৫. তুমি কি মিথ্যা অজুহাত দিয়ে স্কুল থেকে বাড়ি চলে আসো?

উত্তর ⇒ না, আমার ক্লাস শেষ হলেই আমি বাড়ি আসি।

6. আচ্ছা দেবেশবাবু আপনার এই বিষয়ে কী মতামত?

উত্তর ⇒ আমার মেয়ে সত্যিই খুব মিথ্যা কথা কলে। এখনও ও আপনাকে সিখ্যা উত্তর দিল। ওর স্বভাব কিছুতেই পরিবর্তন করতে পারছি না।

 

D. নির্বাচিত দ্বিতীয় কিশোরী :

সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে তথ্যসংগ্রহ –

১. তোমার নাম কী?

উত্তর⇒ অনুস্কা ঘোস।

২. তুমি কোন শ্রেণীতে পড়ো?

উত্তর⇒ একাদশ শ্রেণীতে।

৩. তোমার বাবার নাম কী?

উত্তর⇒ অস্ট্রমোহন ঘোস।

৪. তুমি কি তোমার গৃহকাজ অন্য শিক্ষার্থীকে দিয়ে করিয়ে নাও?

উত্তর⇒ না, আমি আমার গৃহকাজ নিজেই করি।

৫. অস্ট্রমোহনবাবু, আপনার মেয়ের আচার-আচরন কেমন প্রকৃতির?

উত্তর⇒ আক্রমনধর্মী ও প্রতারনামূলক। যখনই অনুস্কা কোনো খারাপ কাজ করে এবং আমি,ওর মা ওকে একটু বকাবকি করি, তখনই ও বাড়ির জিনিসপস ছুঁড়ে ভেঙে দেয়। এমনকি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করার জন্য বিদ্যালয় থেকে আমাকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল।

৬. অনুস্মকে আপনারা বোঝানোর চেষ্টা করেননি?

উত্তর⇒ আমরা ওকে অনেকবার বুঝিয়েছি যাতে ও আর এই ধরনে আচরন না করে। কিন্তু ও আমাদের কোনো কথা শোনে নি।

3.2 Analysis of data:-

গৃহীত তথ্যের উপর ভিত্তি করে কৈশোরকালে ছেলেমেয়েদের অপসংগতিমূলক আচরনগুলি সম্পর্কে আলোকপাত করা হল –

A. প্রথম কিশোরের তথ্য

নাম- চন্দন বেরা

বয়স – ১২ বছর

শ্রেণী – ঘষ্ঠ

সমস্যা- অবাধ্যতা ও একগুঁয়েমি

চন্দনের অবাধ্যতা ও একগুঁয়েমির কারনগুলি হল :-

পর্যবেক্ষন ও সাক্ষাৎকার পদ্ধতির মাধ্যমে ‘আমরা তথ্য সংগ্রহ করে দেখেছি চন্দনেের  অসামঞ্জস্যপূর্ণ আচরনের মধ্যে প্রধান হল-

অবাধ্যতা ও একগুঁয়েমি। যে সমস্ত কারনে এই সমস্যা দেখা যেতে পারে তা হল-

i) শিশুকাল থেকেই চন্দনের অতি সামান্য দুষ্টুমিতেই তার  বাবা-মা তাকে অতি শাসন করত, নির্মম শাস্তি দিত।

ii) ছোটো থেকেই তার সমস্ত কাজের সবসময় সমালোচনা করত।

ⅲ) শৈশব থেকেই তার বাবা-মা তাকে খুব বেশি গুরুত্ব দিত না, অবহেলা করত; তার বাবা-মা তাকে স্নেহ করত না, ভালোবাসত না; বিদ্যালয়ে শিক্ষক -শিক্ষিকারাও তাকে অবহেলা করত ও তার সাথে পক্ষপাতিত্ব করত।

চন্দনের অবাধ্যভা ও একগুঁয়েমির সমস্যার প্রতিকারের উপায়:-

চন্দনের একগুঁয়ে ও অবাধ্যতা দূর করতে হলে কিছু বিষয় মেনে চলতে হবে। যেমন-

i) বাবা-মা’কে একটু নম্র হয়ে সন্তানের সঙ্গে সুন্দর আচরন করতে হবে। চন্দনের সামান্য ভুল গুলোকে তার বাবা-মা তাকে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করবেন।

ⅱ) চন্দনের প্রতি শিক্ষকদের মনোযোগ ও গুরুত্ব দিতে হবে, ভাকে বোঝাতে হবে, উৎ সাহ দিতে হবে এবং পক্ষপাতিত্ব করা যাবে না।

ⅲ) বিদ্যালয়ে নির্দেশনা ও পরামর্শদান বিভাগের সাহায্য নেওয়া এবং প্রয়োজনমতো মনোচিকিৎসকের সাহায্য নিতে হবে।

 

. দ্বিতীয় কিশোর

নাম চয়ন সামন্ত

বয়স ১৪ বছর

শ্রেনী অষ্টম শ্রেনী

সমস্যা- চুরি করা

চয়নের চুরি করার কারনগুলি হল-

পর্যবেক্ষন ও সাক্ষাৎ কার পদ্ধতি অবলম্বন করে তথ্যসংগ্রহ করতে গিয়ে দেখেছি চয়নে অসাসস্ট্রস্যপূর্ণ আচরনের মধ্যে প্রধান হল- চুরি করা। এই সমস্যার কারনগুলি হল –

ⅰ) আর্থিক সংগতির অভাবে তার বাবা-মা তার চাহিদাপূরনে অসমর্থ আকার কারনে চয়নের সধ্যে এই প্রবনতা রয়েছে।

11) শিশু বয়স থেব্যেই চয়ন খারাপ বন্ধুদের সাথে মেলামেশা করে। আর এই কুসঙ্গের করনেই চয়নের মধ্যে এই চুরি করার প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে।

iii) ছোটো থেকেই চয়ন তার বাবা-মা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কাছ থেকে স্নেহ-ভালোবাসা পায় নি। যার ফলে সে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে। এই কারনেই সে চুরি করে।

চয়নের এই সমস্যার প্রতিকারের উপায়

১) তার বাবা-মা’র উচিত চীনের সমস্যার কথা শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে তাকে বোঝানো, তার Actual need -গুলি কী কী হওয়া উচিত।

ii) তার বাবা-মা’র উচিত সামর্থ অনুযায়ী দিনে এক টাকা বা দুইটাকা অথবা সপ্তাহে পাঁচ বা দশ টাকা চয়নকে দেওয়া এবং সেই টাকা সঞ্জয় করে রেখে পরে কীভাবে কাজে লাগানো যায় তা শেখানো।

iii) চয়ন সাতে আর খারাপ বন্ধুদের সাথে মেলামেশা না করে সেই দিকে তার বাবা-মাকে একটু লক্ষ্য-নজর দিতে হবে।

iv) নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করতে হবে।

 

C. প্রথম কিশোরী

নাম

তৃষা प्राসন্ত

বয়স

১৫ বছর

শ্রেনী-নবম

সমস্যা- মিথ্যা কথা বলা

তুমার মিথ্যা কথা বলার কারনগুলি হুল

সাক্ষাৎকার ও পর্যবেক্ষন পদ্ধতি অবলম্বন করে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে আমরা দেখেছি তৃষার অসামঞ্জস্যপূর্ণ আচরনগুলির মধ্যে অন্যতম হল- মিথ্যা কথা বলা। তৃষার মিথ্যা কথা বলার অন্যতম কারন গুলি হল-

১) তৃসার পরিবারের কঠোর নিয়মশৃঙ্খলা তাকে মিথ্যা কথা বলতে বাধ্য করে।

1) তৃষার নিজের পড়াশোনার প্রতি কিছুটা অনিহা এবং তার শিক্ষক শিক্ষিকাদের অবৈজ্ঞানিক, ত্রুটিপূর্ণ শিক্ষাদান পদ্ধতিতে সে আরও বিচলিত হয়। তাই প্রায়শই মিথ্যা বলে স্কুল বা টিউশন থেকে বাড়ি চলে আসে।

iii) তার পড়াশোনা বা ক্লাসে অমনোযোগের কথা পাছে শিক্ষকরা তার বাবা-মা’কে বলে দেন এবং অভিভাবকরা তাকে শাসন করেন, এই ভয়ে সে পেরেন্টস মিটিং-এর কথা বাড়িতে জানায় না এবং পরে শিক্ষককে মিথ্যা বলে যে, বাবা কাজে ব্যস্ত ছিলেন।

তৃষার ‘মিথ্যা বলা’ এই সমস্যার প্রতিকারের উপায়

তুসা সেহেতু ধীরে ধীরে জীবনের বৃহত্তর গন্তীর দিকে এগোচ্ছে, তাই এই সময়েই তার এই বদ-অভ্যাসের পরিবর্তন করা দরকার। তার জন্য প্রয়োজন-

১) সর্বপ্রথম পদক্ষেপ নিতে হবে তৃষার মাকে। তার মাকে হয়ে উঠতে হবে তৃষার বান্ধবী সম। বন্ধুর মতো তিনি যখন কিছু কথা Share করবেন, তখন ধীরে ধীরে তৃসাও তার মা’কে সত্য কথা জানাবে।

ii) শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি মেনে, মানসিকভাবে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে শিক্ষাদান করতে হবে। যাতে তৃষার মতো ছাত্রছাত্রীদের কিছুটা হলেও মনোযোগ বৃদ্ধি পায়।

ⅲ) তৃষাকে বোঝাতে হবে বাবা-মা কিংবা শিক্ষক কেউই তার শত্রু নয়। তাই মিথ্যা না বলে নিজের সমস্যার কথা তাদের জামাতে হবে এবং তাদের শাসন থেকে কিছুটা শিক্ষা নিতে হবে। এই শাসনই ভবিষ্যতের পাথেয় হবে।

 

. দ্বিতীয় কিশোরী

নাম- অনুস্কা ঘোষ

বয়স- ১৬ বছর

শ্রেনী- দশস

সমস্যা- আক্রমণ ধর্মিতা

অনুষ্কার আক্রাসনধর্মিতার কারন-

সাক্ষাৎকার ও পর্যবেক্ষন পদ্ধতি অবলম্বন করে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে আমরা দেখেছি অনুষ্কার অসামঞ্জস্যপূর্ণ আচরনগুলির মধ্যে অন্যতম হল – অক্রমসনধর্মিতা। অনুষ্কার এইরকম আচরনের কারনগুলি হল-

> সাধারনত শিশুর কোনো ইচ্ছাপূরন না হলে, তার মধ্যে হতাশা দেখা যায়। আর এই হতাশার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে অনুস্কা অন্যকে আক্রমন করে, জিনিসপত্র ভাঙে, গুরুজনদের প্রতি অশালীন আচরন করে।

ⅱ) অনেক সময় শিক্ষক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে সে সামাজিক আচরন প্রত্যাশা করেন তা শিক্ষার্থীর গৃহ পরিবেশ পূরন করতে পারে না। অক্ষেতেও শিক্ষার্থীর মধ্যে আক্রমনধর্মী আচরন দেখা যেতে পারে।

ⅲ) অনুষ্কাকে তার বাবা-মা খুব অবহেলা করে, তার সাথে নিষ্ঠুর আচরন করে। এমনকি অনেকসময় দেখা গেছে শিক্ষক তার পারিবারিক জীবনের অশান্তি ও হতাশা শ্রেণীকক্ষে শিক্ষার্থীদের প্রতি নিষ্ঠুর আচরনের মাধ্যমে প্রকাশ করেন। আর এই জন্য অনুস্কা আক্রমনধর্মী আচরন করে।

অনুষ্কার এই সমস্যার প্রতিকারের উপায়সমূহ-

১) প্রথমত, অনুষ্কার এই রকম আচরনের কারন নির্নয় করা প্রয়োজন। প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত শিক্ষক বা পরামর্শদাতা অনুস্কা ও তার অভিভাবকের সাথে আলোচনা করবেন। কেস স্টাডির সাহায্যে ও অক্রেসনধর্মিতার কারন জানা যেতে পারে।

১) কারন জানার পর যে সমস্ত চাহিদা অতৃপ্তির জন্য হতাশা দেখা দিয়েছে তার প্রতিটি পরিতৃপ্তির জন্য সাধ্যমতো চেষ্টা করতে হবে। আন্তরিক স্নেহ ও সহানুভূতিমূলক আচরনের দ্বারা অনুষ্কার মন থেকে নিরাপত্তার অভাব বোধ দূর করা প্রয়োজন।

ⅲ) অনুস্কার অন্তর্নিহিত জ্ঞানের বিকাশ ঘটাতে তাকে লচে, গান, কবিতা, নাটক, অভিনয় প্রভৃতি সহপাঠক্রমিক কার্যাবলিতে অংশগ্রহন করতে উৎসাহ দিতে হবে।

3.3 Implications of the study:-

4. Conclusion:-

মানুষ সামাজিক জীব। তাই স্বাভাবিকভাবেই সমাজ-বিরুদ্ধ আচরা প্রত্যেকের কাছেই দৃষ্টিকটু ‘মনে হয়। আর বয়ঃসন্ধি-কালেই এইরুপ অপসংগতিমূলক আচরন ছেলেমেয়েদের মধ্যে প্রভাব বিস্তার করে নানা কারনে। আমরা এই প্রকল্পের মাধ্যমে জানতে পারি যে, এই বয়সে ছেলেমেয়েরা নানা চাহিদা, শারীরিক বন্ধনা, পড়াশোনার প্রতি অমনোযোগ, পরিবার কিংवग প্রতিবেশীদের কারনে অথবা স্নেে স্নেহের অভাবে, কঠোর শা আসনের মধ্যে পড়ে অসামঞ্জস্যপূর্ণ আচরন করে। এই আচরনে তারা হয়তো সাময়িকভাবে তুষ্ট হয় বিল্ড সমাজের চোখে ভারা খারাপ প্রতিপন্ন হয়। এতে যে সমগ্রদোষটা ও নির্দিস্ট শিক্ষার্থীর- এমনটা নয়। সামাজিক বিভিন্ন কারনই তাকে অসামঞ্জস্যপূর্ণ আচরন করতে বাধ্য করায় কখনো কখনো।

4.1 Significant of the study:-

4.2 what did I learn:-

আমরা যা শিখলাম

অপসাতি সেসব কারনে কয়: সন্ধিকালে ছেলে-মেয়েদের উপর প্রভাব বিস্তার করে, সেই কারনগুলি দূরীকরনের প্রচেষ্টা করতে হবে। তার জন্য সর্বপ্নসম প্রয়োজন অভিভাবক এবং শিক্ষকদের সচেতন হওয়া। তাদেরকেই প্রথম এগিয়ে এসে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে, তার সমস্যা সম্পর্কে অবগত হতে হবে। তারপর সেই সমস্যার সমাধান হিসেবে যা করণীয় তা করতে হবে। যেমন- শিক্ষকদের প্রয়োজন পাঠক্রমে তাত্ত্বিক জ্ঞানের বোঝা কসিয়ে ব্যবহারিক জ্ঞানের পরিমান বাড়ানো- যাতে শিক্ষার্থীরা আগ্রহী হয় এবং লুকিয়ে অহাবা মিথ্যা বলে স্কুল থেকে পালানোর প্রশ্নতা কমে। অপরদিকে, পিতামাতাদের প্রয়োজন সন্তানদের প্রতি বেশি যত্নশীল হওয়া এবং তাদের সমস্যা বোঝার চেষ্টা করা। পিতা-মাতা তথা অভিভাবকরা যদি সন্তানদের কিছুটা স্বাধীনতা প্রদান করেন, তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল ব্যবহার করেন এবং কিছুক্ষেত্রে তাদের বোঝানোর চেস্টা করেন যে, তা কী ভুল করছে, তা কতটা ক্ষতিকর ইত্যাদি, তাহলে অপসংগতিমূলক আচরন কমে যাবে অনেকটাই এবং একটি সুন্দর স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় থাকবে। শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে একজন সৎ ও সামাজিক ব্যক্তি হয়ে উঠবে।

5. Reference:-

(Use APA style)

See Pdf

Coming soon…

Education Pathbhavan

 

Share
error: Content is protected !!